
নিজস্ব প্রতিবেদনঃ-
কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। কক্সবাজার পর্যটন নগরী শহরে প্রতিদিনের মত আজকেও অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারী চক্রের ৪ (চার) সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ককসবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ জানায়, কক্সবাজার পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড
কস্তুরা ঘাট এলাকার খুরুস্কুল সংযুক্ত নতুন ব্রিজসংলগ্ন রোডের মাথায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র ও চাপাতি, কাঠের বাটযুক্ত একটি লোহার তৈরী ছুরি, যাহার বার্টসহ দৈর্ঘ্য ১৭.৫ ইঞ্চি,স্টীলের তৈরী হাতল যুক্ত টিপ ছুরি, যাহার হাতলসহ খোলা অবস্থায় দৈর্ঘ্য ১০ ইঞ্চি,একটি কাঠের বাটযুক্ত লোহার তৈরী চাপাতি, যাহার বাটসহ দৈর্ঘ্য ১৭ ইঞ্চি,লোহার তৈরী হাতলযুক্ত চাপাতি, যাহার হাতলসহ দৈর্ঘ্য ১৬ ইঞ্চি,একটি কাঠের বাটযুক্ত লোহার তৈরী ছুরি, যাহার বাটসহ দৈর্ঘ্য ১১.৫ ইঞ্চি,উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতাররা হলেন কক্সবাজার পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পূর্ব ঘোনার পাড়া এলাকার
সুলতানের পুত্র মোহাম্মদ ইমরান (২৬), মহেশখালী, পুটিবিলা ইউনিয়নের ০১নং ওয়ার্ডের আনোয়ার হোসেনের পুত্র খোরশেদ আলম, কক্সবাজার পৌরসভা ০৮নং ওয়ার্ড, জাদিরাম পাহাড়,বৈইল্ল্যা পাড়া এলাকার মৃত মোহাম্মদ আবু বক্কর পুত্র মোহাম্মদ আবু তাহের,কক্সবাজার পৌরসভা ০৮নং ওয়ার্ড,বৈদ্যঘোনা এলাকার আনোয়ার হোসেনের পুত্র সোহেল ইসলাম। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার রয়েছে।
পুলিশ বলছে, গ্রেফতার ব্যক্তিরা কক্সবাজার পর্যটন এলাকায় দেশ বিদেশ আগত পর্যটকদের টার্গেট করে চাপাতির ও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পর্যটক ও সাধারণ মানুষের টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাই করতেন। এছাড়া বিভিন্ন বাসাবাড়ির এসির পাইপ ও বৈদ্যুতিক তার চুরি এবং রিকশার গ্যারেজ থেকে রিকশা চুরি করে মুক্তিপণ আদায়ের সাথেও তাদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ আরো জানায়, গ্রেফতার কৃত ছিনতাইকারী ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় ১০টি মামলার ও এজাহারও রয়েছে।
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এই অনমনীয় নির্দেশনার পর কক্সবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী নিজে কক্সবাজার শহরে ছিনতাই, কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিরুদ্ধে জোরদার অভিযান শুরু করেছেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সরাসরি জিরো টলারেন্স ঘোষণা করছেন। তিনি ক্ষোভে’র সহিত উল্লেখ করেছেন যে, অনেক সময় আইনের কিছু ফাঁকফোকরের কারণে গ্রেপ্তারকৃত ছিনতাইকারীদের দীর্ঘদিন আটকে রাখা সম্ভব হয় না, তাই এই অপরাধ পুরোপুরি নির্মূলে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সম্পৃক্ততা ও সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি।
সম্পাদক: সরওয়ার কামাল খন্দকার
অফিস : ২৫৬/৫এ, রহমান ম্যানশন, দক্ষিণ পরিবাগ, মিরপুর, ঢাকা।